• শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
১৫১৯ টি অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা এম পিও /জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন মানিকগঞ্জের ঘিওরে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঘিওরে পূর্ব শত্রুতার জেরে ঘোড়ার পায়ে কোপ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ঘিওরে মহান মে দিবস পালিত ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয়করণের দাবি, বরাদ্দ না পেলে ধর্মঘটের হুশিয়ারী ঘিওরে বিলুপ্ত খাল বন্ধ করে বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধ ও খাল পুনঃখনন করার দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ঘিওর উপজেলায় ইমাম সম্মেলন দেশে প্রথম সাশ্রয়ী ডিজিটাল ডায়েট কোচিং প্ল্যাটফর্ম ‘ডায়েটকোচ’ চালু মিসাইল মজুদ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া ও ভবিষ্যতে চীন রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ হওয়ার তীব্র শঙ্কায়। অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা দিয়ে ইরান যুদ্ধ থেকে সরে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শিগগিরই নিয়োগ দেওয়া হবে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে ইলেকট্রিক মিস্ত্রি নিজ হাতে তৈরি করলেন ” আলট্রা লাইট ” বিমান 

প্রতিনিধিঃ আল মামুন / ২২৭ Time View
Update : বুধবার, ৫ মার্চ, ২০২৫

মানিকগঞ্জের শিবালয়ের তরুণ  উদ্যোক্তা  জুলহাস রহমান নিজের হাতে তৈরি করা বিমান আকাশে উড়িয়ে চমক দেখিয়েছেন। 

চার বছরের প্রচেষ্টায় তৈরি এই ‘আলট্রা লাইট’ বিমান ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তার এমন সাফল্যে খুশি হয়ে জেলা প্রশাসন তাকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লার উপস্থিতিতে শিবালয় উপজেলার জাফরগঞ্জ এলাকায় যমুনার পাড়ে এ বিমান উড্ডয়ন দেখতে ভিড় জমায় হাজারো মানুষ।

শিবালয় উপজেলার তেওতা ইউনিয়নের বিলপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল জলিল মোল্লার ছেলে জুলহাস রহমান (২৮)। ছয় ভাই-বোনের মধ্যে তিনি পঞ্চম। অর্থাভাবে ২০১৪ সালে মাধ্যমিকের পরই পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর জীবিকার তাগিদে ঢাকায় গিয়ে ইলেকট্রিক মিস্ত্রির কাজ নেন।

জুলহাস জানান, ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি তার আগ্রহ। প্রায় তিন বছর আগে শখের বসে একটি খেলনা বিমান তৈরি করে আকাশে উড়ান তিনি। সেখান থেকেই স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন নিজ হাতে আসল বিমান তৈরির।

কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়াই একা একা ইউটিউব দেখে ও নিজস্ব চিন্তা-ভাবনায় চার বছর ধরে তৈরি করেন এই আলট্রা লাইট বিমান। বিমান তৈরিতে সরাসরি খরচ হয়েছে দেড় লাখ টাকা, তবে গবেষণা, যন্ত্রাংশ সংগ্রহ ও নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষায় গত চার বছরে খরচ হয়েছে প্রায় সাত থেকে আট লাখ টাকা।

জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, “জুলহাসের এই উদ্ভাবনী উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। নিজের প্রচেষ্টায় সে যা করেছে, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। তাকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে, ভবিষ্যতেও তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।


More News Of This Category
bdit.com.bd