• বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
১৫১৯ টি অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা এম পিও /জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন মানিকগঞ্জের ঘিওরে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঘিওরে পূর্ব শত্রুতার জেরে ঘোড়ার পায়ে কোপ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ঘিওরে মহান মে দিবস পালিত ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয়করণের দাবি, বরাদ্দ না পেলে ধর্মঘটের হুশিয়ারী ঘিওরে বিলুপ্ত খাল বন্ধ করে বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধ ও খাল পুনঃখনন করার দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ঘিওর উপজেলায় ইমাম সম্মেলন দেশে প্রথম সাশ্রয়ী ডিজিটাল ডায়েট কোচিং প্ল্যাটফর্ম ‘ডায়েটকোচ’ চালু মিসাইল মজুদ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া ও ভবিষ্যতে চীন রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ হওয়ার তীব্র শঙ্কায়। অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা দিয়ে ইরান যুদ্ধ থেকে সরে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শিগগিরই নিয়োগ দেওয়া হবে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১৫১৯ টি অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা এম পিও /জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন

এল এম রফিক / ২২৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয়করণ ও এমপিওভুক্তির দাবিতে রাজধানীতে মানববন্ধন করেছেন অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকরা। তারা অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পদে কর্মরত শিক্ষকরা নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করলেও এখনো অনুদান ও এমপিও সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর নিউ বেইলি রোডে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষক কল্যাণ কমিটি। এতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত শিক্ষক-শিক্ষিকারা অংশগ্রহন করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০২৫ সালের নীতিমালার আলোকে এমপিও আবেদন ও যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের প্রায় ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও শূন্য পদের অনুদান কার্যকর করা হয়নি। এতে হাজারো শিক্ষক মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অনুদানভুক্ত শিক্ষকদের অনেকেই বছরের পর বছর মাত্র ৩ হাজার ৩০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা ভাতা পেয়ে আসছেন। আবার অনেক শিক্ষক কয়েক বছর ধরেও সেই সামান্য অনুদানও পাচ্ছেন না।

বক্তারা আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বিষয়টি বাস্তবায়নে গাফিলতি করছেন। দ্রুত দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেন তারা।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষকরা জানান, সংসার চালাতে চরম কষ্ট করতে হচ্ছে। অনেকেই ব্যক্তিগত সম্পদ বিক্রি করে ঢাকায় এসে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।

সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক মাওলানা মোহাম্মদ শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব বলেন, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার আগে মাউশির অধীনে থাকাকালে নিয়মিত নতুন ইনডেক্স ও অনুদান কার্যক্রম পরিচালিত হতো। কিন্তু অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ ১৫ বছরেও শূন্য পদে কর্মরত শিক্ষকদের সমস্যার সমাধান হয়নি। আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের মার্চে আংশিকভাবে প্রায় ১ হাজার ৮০০ শিক্ষককে অনুদানের আওতায় আনা হলেও বাকি শিক্ষকদের বিষয়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।

মানববন্ধন শেষে একটি প্রতিনিধি দল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি জমা দেয়। পরে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কী সিদ্ধান্ত আসে, তা শিক্ষক সমাজকে জানানো হবে বলে জানান সংগঠনের নেতারা।


More News Of This Category
bdit.com.bd