বিশেষ প্রতিবেদনঃ –
সম্প্রতি ফেসবুকে “ইবতেদায়ী শিক্ষা উন্নয়ন বাংলাদেশ” নামক পেজ থেকে আমাদের অধিকার আদায়ের লড়াকু নেতাদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও বানোয়াট মামলার যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, “স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয় শিক্ষক ঐক্যফ্রন্ট” তার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাচ্ছি।
প্রকৃত সত্য এই যে, আমাদের যে সকল নিবেদিতপ্রাণ নেতা মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনায় দিনরাত পরিশ্রম করে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার বিল-বেতন পাসের চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন, ঠিক সেই মুহূর্তেই এই মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। এটি কোনো সাধারণ ঘটনা নয়; এটি আমাদের বিল-বেতন আটকে দেওয়া এবং সামগ্রিকভাবে ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করার একটি গভীর ও সুপরিকল্পিত চক্রান্ত।
এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট:
* পরিকল্পিত ক্ষতি সাধনের চেষ্টা: মাদ্রাসা ও শিক্ষকদের উন্নয়ন যারা সইতে পারে না, সেই স্বার্থান্বেষী মহলই এই পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের রূপকার।
* নেতাদের চরিত্র হনন: যারা আমাদের বেতনের অধিকার আদায়ের অগ্রভাগে আছেন, তাদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে অবদমিত করার অপচেষ্টা চলছে।
* ঐক্যে ফাটল ধরানোর চক্রান্ত: সাধারণ শিক্ষকদের বিভ্রান্ত করে আমাদের দীর্ঘদিনের কষ্টার্জিত অধিকার আন্দোলন নস্যাৎ করাই এর মূল লক্ষ্য।
সাধারণ শিক্ষক ভাই ও বোনেরা, এখনই জেগে ওঠার সময়!
আজ যদি আমরা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে না তুলি, তবে আমাদের কাঙ্ক্ষিত বিল-বেতন পাওয়ার প্রক্রিয়া আবারও বছরের পর বছর পিছিয়ে যাবে। গুটিয়েক চক্রান্তকারীর জন্য হাজার হাজার শিক্ষকের রুটি-রুজির অধিকার বিপন্ন হতে দেওয়া যায় না।
আসুন, সকল ভেদাভেদ ভুলে চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে আমরা একতাবদ্ধ হই। এই মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়াতোদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি।
প্রতিবাদে ও প্রতিরোধে:
স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয় শিক্ষক ঐক্যফ্রন্ট
(কেন্দ্রীয় কমিটি)